সফল বাংলাদেশ

সফল বাংলাদেশ: সব সফলতার খবর আলোচনা হোক গর্বের সাথে

মধুপুরে তুলার নতুন জাত উদ্ভাবন ॥ গ্রীষ্মকালে চাষ

শীতকালীন তুলা চাষের কথা আমরা সবাই জানি। জুন-জুলাইয়ে জমিতে বীজ বপন করা হয়। আর জানুয়ারিতে সে জমি থেকে পাকা তুলা সংগ্রহ করা হয়। চিরাচরিত এ পদ্ধতিতে জমিতে বছরে মাত্র একবারই তুলা চাষ হয়। কিন্তু গ্রীষ্ককালীন তুলা চাষ? বিষয়টি একেবারেই নতুন। অত্যাধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি প্রবর্তণের সর্ব শেষ নমুনা। এ নতুন প্রযুক্তি নিয়ে এসেছেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃতী গবেষকরা। এ সময়ে অধিক তুলা উৎপাদন করে চাষীরা যেমন লাভবান হবে, তেমনি দেশের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। 
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের খামার বাড়ি অফিস জানায়, সারা দেশে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টরে তুলা চাষ হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী এলাকায় ১৫ হাজার হেক্টর এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়, উত্তরবঙ্গের বরেন্দ্রভূমি এবং বৃহত্তর যশোহর ও কুষ্টিয়ার উঁচু ভূমিতে ৩৫ হাজার হেক্টরে তুলার আবাদ হয়। এ থেকে উৎপাদন হয় বড় জোর ১ লাখ বেল। অথচ দেশে তুলার চাহিদা হলো প্রায় ৪০ লাখ বেল। অবশিষ্ট ৩৯ লাখ বেল তুলা বিদেশ থেকে আমাদানি করা হয়। শুধুমাত্র প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই আমদানি করা হয় ২৫ থেকে ৩০ লাখ বেল। দেশে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ায় তুলা আমদানি প্রতিবছরই বাড়ছে। এ অবস্থায় কটন ডেভেলপমেন্ট বোর্ড তুলার ঘাটতি মোকাবেলায় সারাবছর তুলা উৎপাদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে একই জমিতে বছরে দু’বার তুলা চাষ করা যাবে। ভারতসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বছরে দু’বার তুলা চাষ করা হয়। তুলা চাষের প্রায় পুরোটাই জুড়ে রয়েছে হাইব্রিড। 
বাংলাদেশে তুলা চাষে গতানুগতিক পরিবর্তন আনার জন্য বোর্ড দীর্ঘ দিন ধরে গবেষণা করে আসছিল। সম্প্রতি এ গবেষণায় সুফল মিলে। বোর্ড যশোর জেলার জগদীশপুর গবেষণা কেন্দ্রে উদ্ভাবন করে গ্রীষ্মকালীন জাত। উফসী এ জাতের নাম সিবি-১২। নিজস্ব ফার্মে পরীক্ষামূলক আবাদে সফলতা আসায় বোর্ড চাষী পর্যায়ে গ্রীষ্মকালীন তুলা নিয়ে এসেছে। এ জাতের উৎপাদন ক্ষমতা চীন থেকে আমদানি করা হাইব্রিড তুলার কাছাকাছি। বিঘাতে উৎপাদন ১০/১২ মণ। বোর্ড সুলভমূল্যে কৃষক পর্যায়ে এ বীজ সরবরাহ করছে। চীন থেকে আমদানি করা প্রতিকেজি হাইব্রিড বীজের দাম যেখানে দুই হাজার টাকা সেখানে বোর্ড উদ্ভাবিত সিবি-১২ জাতের দাম মাত্র ২২ টাকা কেজি। 
গ্রীষ্মকালীন তুলা চাষকে জনপ্রিয় করার জন্য বোর্ড ‘গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্প’ নামে একটি কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। উদ্দেশ্য সারাবছর তুলা চাষ। এর আওতায় দেশের ১৮টি জোনের প্রতিটিতে ৫টি করে অংশীদারিত্ব গবেষণা পট স্থাপন করা হয়েছে। ময়মনসিংহ কটন জোন অফিস মধুপুর ইউনিটের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ধরাটি গ্রামের আবুল হোসেনের দুই বিঘা জমিতে তুলার গ্রীষ্মকালীন পট স্থাপন করেছে। ফেব্রুয়ারি মাসে চারা রোপণ হয়েছে। ইতোমধ্যে সবুজ চারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। আগামী মে মাসে জমি থেকে পাকা তুলা সংগ্রহের আশা করছেন বোর্ড।
কটন ডেভেলপমেন্ট বোর্ড ঢাকা রিজিয়নের উপ-পরিচালক ফখরে আলম ইবনে তাবিব জানান, গ্রীষ্মকালীন তুলা চাষে সেচের প্রয়োজন পড়ে। এজন্য যান্ত্রিক সেচের সুবিধা রয়েছে এমন সব এলাকায় গ্রীষ্মকালীন তুলা চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, গ্রীষ্মকালীন চাষের মাধ্যমে বাড়তি তুলা উৎপাদন এবং আমদানি নির্ভরতা কমানোই বোর্ডের মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি। তুলা চাষী আবুল হোসেন জানান, তিনি দেড় দশক ধরে জমিতে তুলা চাষ করেন। এবার অনেকটা কৌতূহলবশত বোর্ডের কথায় জমিতে গ্রীষ্মকালীন তুলা লগিয়েছেন। সেচ, সার ও পরিচর্যা বেশি লাগছে। উৎপাদন খরচ বেশি পড়বে বলে মনে হচ্ছে। এবার তুলার দাম ছিল খুবই কম। অনেক চাষী উৎপাদন খরচও তুলতে পারেনি। এমতাবস্থায় তুলার সংগ্রহ মূল্য না বাড়ালে গ্রীষ্মকালীন তুলা চাষে কৃষকরা এগিয়ে আসবে কীনা সেটি দেখার বিষয়। 
এদিকে তুলা চাষকে জনপ্রিয় এবং জেলার মাঠ পর্যায়ে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সম্প্রতি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়াগাছা স্কুল প্রাঙ্গণে তুলা চাষী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কৃষিবিদ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মতিয়ার রহমান। বক্তব্য রাখেন উপ-পরিচালক ড. ফরিদ উদ্দীন, প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আখরুজ্জামান, উপ-পরিচালক ফখরে ইবনে তাবিব এবং মধুপুর ইউনিট প্রধান মোফাজ্জল হোসেন।

সুত্র

Advertisements
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

Bangladesh could join what have been called the “7 percent club” of economies

NewImage

New York Times Apr 24, 2012, 10.24AM IST

COX’S BAZAR: Bangladesh is probably one of the last places in Asia people would expect to see a thriving beachside resort with luxury hotels.

And yet, Cox’s Bazar is exactly that – a place where affluent Bangladeshis go for a weekend of seaside fun. During the high season, when the monsoon rains are not pounding the country, the beach is filled with children and their watchful parents among slightly dilapidated orange beach umbrellas.

About five years ago, only a few luxury hotels were in this small city on the Bay of Bengal. Now there are a dozen, and counting. Smaller hotels and guesthouses are proliferating, and property prices have risen sharply.

The transformation of Cox’s Bazar from remote backwater to a beach El Dorado encapsulates the changes that have taken place in this country of 160 million people, and many other developing Asian countries, over the last couple of decades.

“A middle class is gradually forming,” said Zahid Hossain, principal economist at the Asian Development Bank in Dhaka, the capital of Bangladesh. The growth in the country mirrors the developments in other emerging economies, he said. “Domestic demand is growing and becoming an important driver of economic activity.”

The progress, though, has been uneven. As in other Asian countries, the gap between rich and poor has widened in Bangladesh, giving rise to social tensions and sometimes violent protests. The murder this month of Aminul Islam, a prominent labor rights activist, apparently in retaliation for his advocacy work, put a spotlight on the low wages and poor working conditions that prevail in burgeoning sectors like the garment industry.

In Bangladesh’s countryside, home to more than 70 percent of the population, subsistence farming remains the norm, and weather-related disasters regularly wreak havoc in the flat lowlands.

Foreign direct investment in Bangladesh has languished at about $1 billion a year – less than what Albania or Belarus each receive, and about one-tenth of foreign investments in Thailand or Malaysia. Inadequate power and transportation infrastructures, political infighting, bureaucracy, corruption and a shortage of skilled laborers contribute to a challenging investment climate.

Yet despite this, the Bangladeshi economy has managed to grow more than 6 percent a year for much of the past decade.

Economists at Standard Chartered Bank believe that Bangladesh could join what have been called the “7 percent club” of economies that expand at least 7 percent annually for an extended period – allowing their economies to double every decade. Current members of the “club” include China, Cambodia, India, Mozambique and Uganda.

HSBC included Bangladesh in a group of 26 economies – along with China, India and several Latin American and African countries – where it expects particularly strong growth. The U.S. and much of Europe, by contrast, are likely to remain merely stable, according to HSBC’s projections.

The gradual shift in global production to low-cost countries, from developed economies in Europe and North America, is driving much of that growth. The trend, which began turning parts of Asia – notably China – into manufacturing hubs in the 1980s and 1990s, has started to take root in Bangladesh.

For now, Bangladesh’s manufacturing prowess is primarily focused on the garment sector, which has grown into a multibillion-dollar industry that employs 3.6 million people and accounts for 78 percent of the country’s exports.

Bangladesh has seen particularly strong growth in the last few years, partly because of rising labor costs in China, where manufacturing is moving into higher-margin activities like product design.

“For many years, China was almost always the hands-down answer to all buyers’ needs,” the consulting firm

McKinsey noted in a recent report. Now, Western wholesale buyers of garments are looking for the “next China,” and Bangladesh “is clearly the preferred next stop for the sourcing caravan.”

Bangladesh exported nearly $18 billion worth of garments in the 12 months through June 2011, $10.5 billion of that to the European Union and $4.6 billion to the U.S., according to the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association. The total nearly doubled from four years earlier, and McKinsey forecast that the garment industry would grow by as much as 9 percent a year over the next decade.

Li & Fung, a giant Hong Kong trading company that supplies retailers including Wal-Mart with clothing mostly purchased from Asia, is a case in point. Last year, the company bought $1 billion worth of apparel from manufacturers in Bangladesh, 41 percent more than in 2010. Bangladesh overtook Vietnam and Indonesia in 2011 to become the second-largest source of such products for Li & Fung, after China.

 

But infrastructure bottlenecks and power cuts are substantial “negatives,” Bruce Rockowitz, chief executive of Li & Fung, said at a recent news conference in Hong Kong. Still, the company intends to increase the business it does in Bangladesh. “The prognosis,” Rockowitz said, “is good.”

Another driver of economic growth has been the inflow of remittances – money sent home by Bangladeshis who have sought employment abroad. More than $11 billion worth of remittances flowed into Bangladesh last year, more than 10 times the amount from foreign investment, and the annual inflow is expected to rise to $20 billion in five years’ time, the government estimates.

Of course, the fact that tens of thousands of Bangladeshis go abroad each year highlights a weakness in the country’s economy: well-paid jobs are hard to come by.

Manufacturing is mostly confined to low-level, fairly unskilled assembly work, rather than to high-end production or design. Moreover, “other sectors, such as shipbuilding and pharmaceuticals, are only just starting to emerge,” said Agost Benard, who covers Bangladesh for the ratings agency Standard & Poor’s.

Still, the expansion of the past few years and improvements in the agriculture sector mean that domestic demand is growing.

Dhaka, whose population has ballooned to about 15 million, now has car showrooms and a small but growing number of high-end international hotels. Monthly office rents in the most sought-after neighborhoods of the capital can be as high as 250 taka per square foot, or about $3 – levels that would not look out of place in some Western cities, according to the real estate services firm Jones Lang LaSalle.

In Cox’s Bazar, construction sites pockmark the once laid-back beachfront. A Best Western hotel is in the making. Green Delta Housing, a Bangladeshi construction company, is working on several developments. Carlson Rezidor Hotel Group, which already operates a Radisson in Dhaka, is planning to open two hotels in Cox’s Bazar in 2015.

The town is a long way from turning into Cancun, Mexico, or the Cote d’Azur in France. Rickshaws trundle along the potholed road between the small airport and the hotel zone farther south, where shopkeepers sell dried fish and sunglasses, and rickety stalls on the beach sell souvenirs crafted from seashells.

“This is not ‘Baywatch’ or Hawaii,” said Mikey Leung, a co-author of the Bradt travel guide to Bangladesh. “You’re not talking international-style resorts.”

But Cox’s Bazar has changed a great deal over the past five years, Leung said. “Properties are popping up like daisies, and the development is moving further and further down along the beach. The speed and scale of it is unprecedented for Bangladesh.”

Moniruzzaman, a marketing executive at the Cox’s Bazar office of Green Delta Housing who uses only one name, concurred.

“Many, many things are happening,” he said. “Land is like gold now.”

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

Hitting the Beach in Bangladesh

COX’S BAZAR, Bangladesh — It’s not Hawaii, and it’s not St.-Tropez. But Cox’s Bazar is an up-and-coming beach resort, with lush vegetation and soaring property prices to match.

Located in southeastern Bangladesh, Cox’s Bazar is miles away — physically and metaphorically — from the long-developed beaches of Thailand or Vietnam. There is no alcohol — at least, none is openly served — and bathers splash about while fully dressed.

Most bathers at Cox's Bazar in Bangladesh are fully clothed.G.M.B. Akash for the International Herald TribuneMost bathers at Cox’s Bazar in Bangladesh are fully clothed.

But a visit here brings home the fact that Bangladesh, much like its flashier neighbors, is enjoying rapid economic growth. And even though millions of Bangladeshis live in abject poverty, many others have the cash to pay for some beachside relaxation.

Most visitors to Cox’s Bazar are Bangladeshis: The country sees few foreign tourists, and business travelers mostly journey only to Dhaka, or perhaps the port city of Chittagong. Still, a visit here also shows that Bangladesh is slowly appearing on the radar screen of international investors.

To be sure, for investors to really come flocking, Bangladesh will need to get its act together on a lot of things — power cuts and traffic gridlock, for example, along with the immigration queue at the airport, which is the slowest I have ever experienced.

Still, as I report in more detail in this article, some analysts now flag Bangladesh’s potential as the “next China,” or at least the “next Indonesia.”

“The country is doing more than just keeping its head above water in terms of growth,” said Herald van der Linde, an equities analyst at HSBC in Hong Kong, who, like me, thought the country deserved a closer look, and visited recently. “Bangladesh is an open, dynamic market, with plenty of room to grow.”

Hotel companies clearly agree.

Carlson Rezidor Hotel Group opened a Radisson in Dhaka in 2006. It is planning to open two more in Cox’s Bazar and another in Chittagong. Starwood, which already operates a Westin in Dhaka, is planning to add a Sheraton and a Le Méridien.

Accor of France is exploring several options for its entry into Bangladesh, including properties in Dhaka and in Chittagong.

In the town of Cox’s Bazar, the flow of Bangladeshi tourists has brought untold riches and job opportunities, and seems to have made many people happy — for the moment.

However, there also are controversies over land allotments, as reported last month in The Daily Star. And concerns about the environmental impact of development were reported in the Daily Sun earlier this month.

source

 

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

NYtimes: In an Unlikely Corner of Asia, Strong Promise of Growth

In an Unlikely Corner of Asia, Strong Promise of Growth

G.M.B Akash for the International Herald Tribune

Bangladeshis go to Cox’s Bazar for a weekend of well-behaved, fully clad fun by the seaside.

 

COX’S BAZAR, Bangladesh — Bangladesh is probably one of the last places in Asia people would expect to see a thriving beachside resort with luxury hotels.

G.M.B Akash for the International Herald Tribune

A construction site for Green Delta Housing Ltd. About five years ago, there were only two or three high-end hotels in the area. Now there are a dozen, and counting.

G.M.B Akash for the International Herald Tribune

The transformation of Cox’s Bazar from remote backwater to beach El Dorado — Bangladesh-style — encapsulates the changes that have taken place in this nation, and many other developing Asian countries, over the past decade or two.

G.M.B Akash for The International Herald Tribune

A clothing store in Dhaka, the capital of Bangladesh. The garment industry employs 3.6 million people in the country.

And yet, Cox’s Bazar is exactly that — a place where affluent Bangladeshis go for a weekend of seaside fun. During the high season, when the monsoon rains are not pounding the country, the beach is filled with children and their watchful parents among slightly dilapidated orange beach umbrellas.

About five years ago, only a few luxury hotels were in this small city on the Bay of Bengal. Now there are a dozen, and counting. Smaller hotels and guesthouses are proliferating, and property prices have risen sharply.

The transformation of Cox’s Bazar from remote backwater to a beach El Dorado encapsulates the changes that have taken place in this country of 160 million people, and many other developing Asian countries, over the last couple of decades.

“A middle class is gradually forming,” said Zahid Hossain, principal economist at the Asian Development Bank in Dhaka, the capital of Bangladesh. The growth in the country mirrors the developments in other emerging economies, he said. “Domestic demand is growing and becoming an important driver of economic activity.”

The progress, though, has been uneven. As in other Asian countries, the gap between rich and poor has widened in Bangladesh, giving rise to social tensions and sometimes violent protests. The murder this month of Aminul Islam, a prominent labor rights activist, apparently in retaliation for his advocacy work, put a spotlight on the low wages and poor working conditions that prevail in burgeoning sectors like the garment industry.

In Bangladesh’s countryside, home to more than 70 percent of the population, subsistence farming remains the norm, and weather-related disasters regularly wreak havoc in the flat lowlands.

Foreign direct investment in Bangladesh has languished at about $1 billion a year — less than what Albania or Belarus each receive, and about one-tenth of foreign investments in Thailand or Malaysia. Inadequate power and transportation infrastructures, political infighting, bureaucracy, corruption and a shortage of skilled laborers contribute to a challenging investment climate.

Yet despite this, the Bangladeshi economy has managed to grow more than 6 percent a year for much of the last decade.

Economists at Standard Chartered Bank believe that Bangladesh could join what have been called the “7 percent club” of economies that expand at least 7 percent annually for an extended period — allowing their economies to double every decade. Current members of the “club” include China, Cambodia, India, Mozambique and Uganda.

HSBC included Bangladesh in a group of 26 economies — along with China, India and several Latin American and African countries — where it expects particularly strong growth. The United States and much of Europe, by contrast, are likely to remain merely stable, according to HSBC’s projections.

The gradual shift in global production to low-cost countries, from developed economies in Europe and North America, is driving much of that growth. The trend, which began turning parts of Asia — notably China — into manufacturing hubs in the 1980s and 1990s, has started to take root in Bangladesh.

For now, Bangladesh’s manufacturing prowess is primarily focused on the garment sector, which has grown into a multibillion-dollar industry that employs 3.6 million people and accounts for 78 percent of the country’s exports.

Bangladesh has seen particularly strong growth in the last few years, partly because of rising labor costs in China, where manufacturing is moving into higher-margin activities like product design.

“For many years, China was almost always the hands-down answer to all buyers’ needs,” the consulting firm McKinsey noted in a recent report. Now, Western wholesale buyers of garments are looking for the “next China,” and Bangladesh “is clearly the preferred next stop for the sourcing caravan.”

Bangladesh exported nearly $18 billion worth of garments in the 12 months through June 2011, $10.5 billion of that to the European Union and $4.6 billion to the United States, according to the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association. The total nearly doubled from four years earlier, and McKinsey forecast that the garment industry would grow by as much as 9 percent a year over the next decade.

Li & Fung, a giant Hong Kong trading company that supplies retailers including Walmart with clothing mostly purchased from Asia, is a case in point. Last year, the company bought $1 billion worth of apparel from manufacturers in Bangladesh, 41 percent more than in 2010. Bangladesh overtook Vietnam and Indonesia in 2011 to become the second-largest source of such products for Li & Fung, after China.

But infrastructure bottlenecks and power cuts are substantial “negatives,” Bruce Rockowitz, chief executive of Li & Fung, said at a recent news conference in Hong Kong. Still, the company intends to increase the business it does in Bangladesh. “The prognosis,” Mr. Rockowitz said, “is good.”

Another driver of economic growth has been the inflow of remittances — money sent home by Bangladeshis who have sought employment abroad. More than $11 billion worth of remittances flowed into Bangladesh last year, more than 10 times the amount from foreign investment, and the annual inflow is expected to rise to $20 billion in five years’ time, the government estimates.

Of course, the fact that tens of thousands of Bangladeshis go abroad each year highlights a weakness in the country’s economy: well-paid jobs are hard to come by.

Manufacturing is mostly confined to low-level, fairly unskilled assembly work, rather than to high-end production or design. Moreover, “other sectors, such as shipbuilding and pharmaceuticals, are only just starting to emerge,” said Agost Benard, who covers Bangladesh for the ratings agency Standard & Poor’s.

Still, the expansion of the past few years and improvements in the agriculture sector mean that domestic demand is growing.

Dhaka, whose population has ballooned to about 15 million, now has car showrooms and a small but growing number of high-end international hotels. Monthly office rents in the most sought-after neighborhoods of the capital can be as high as 250 taka per square foot, or about $3 — levels that would not look out of place in some Western cities, according to the real estate services firm Jones Lang LaSalle.

In Cox’s Bazar, construction sites pockmark the once laid-back beachfront. A Best Western hotel is in the making. Green Delta Housing, a Bangladeshi construction company, is working on several developments. Carlson Rezidor Hotel Group, which already operates a Radisson in Dhaka, is planning to open two hotels in Cox’s Bazar in 2015.

The town is a long way from turning into Cancún, Mexico, or the Côte d’Azur in France. Rickshaws trundle along the potholed road between the small airport and the hotel zone farther south, where shopkeepers sell dried fish and sunglasses, and rickety stalls on the beach sell souvenirs crafted from seashells.

“This is not ‘Baywatch’ or Hawaii,” said Mikey Leung, a co-author of the Bradt travel guide to Bangladesh. “You’re not talking international-style resorts.”

But Cox’s Bazar has changed a great deal over the past five years, Mr. Leung said. “Properties are popping up like daisies, and the development is moving further and further down along the beach. The speed and scale of it is unprecedented for Bangladesh.”

Moniruzzaman, a marketing executive at the Cox’s Bazar office of Green Delta Housing who uses only one name, concurred.

“Many, many things are happening,” he said. “Land is like gold now.”

 

NewImage

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

দশ টাকায় হিসাব খুলেছেন ৯৬ লাখ কৃষক

NewImage

১০ টাকায় হিসাব খুলেছেন প্রায় ৯৬ লাখ কৃষক। সামাজিক নিরাপত্তা, মুক্তিযোদ্ধা, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা প্রাপ্তরাসহ স্বল্প টাকায় হিসাব খুলেছেন আরও ৩২ লাখ ব্যক্তি। সবমিলিয়ে বর্তমানে এ ধরনের হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ। রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে সেসব হিসাব খোলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ টাকায় ৯৫ লাখ ৭১ হাজার ৯৩৫ কৃষক ব্যাংক হিসাব খুলেছেন। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকে খোলা হয়েছে ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯১টি, জনতা ব্যাংকে ১৪ লাখ ৯২ হাজার ১৪০টি, অগ্রণী ব্যাংকে ১৪ লাখ ৩২ হাজার ৮৮১টি, রূপালী ব্যাংকে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯১টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ২৫ লাখ ৪ হাজার ৯৫টি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ১৪ লাখ ৭ হাজার ২৫৮টি এবং বেসিক ব্যাংকে ১৭৯টি হিসাব খোলা হয়েছে। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের নামে এ পর্যন্ত ৯৮ হাজার ৯৭৭টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতাপ্রাপ্তদের নামে ২৬ লাখ ৪০ হাজার ৭৩৭টি, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় ভাতাপ্রাপ্ত, বেকার যুবকসহ অন্যদের জন্য ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৫৬টি এবং ১০০ টাকায় ক্ষুদ্র জীবন বীমা গ্রহীতাদের জন্য ৫ হাজার ৮১০টি ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও সমাজের সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে বিভিন্ন সময় সার্কুলার জারি করে ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি সর্বপ্রথম কৃষকদের জন্য ১০ টাকায় হিসাব খোলার নির্দেশ আসে। একই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর অতিদরিদ্র, ২০১১ সালের ১১ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধা, একই বছরের ১৯ জুন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং ১৮ সেপ্টেম্বর হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে অনুদানপ্রাপ্ত দুস্থদের ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২০১০ সালের ২ মে বেকারদের জন্য ৫০ টাকায় এবং গত বছরের ১ নভেম্বর ক্ষুদ্র জীবন বীমা গ্রহীতাদের ১০০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
সে নির্দেশ অনুসারে এসব হিসাব খোলা হয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তিরা জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট বা কৃষি উপকরণ সহায়তার কার্ড দিয়েই হিসাব খুলতে পারেন। কোনো ব্যাংক এসব হিসাবে টাকা জমা রাখার বাধ্যবাধকতা আরোপ অথবা চার্জ বা ফি আদায় করতে পারে না।

 

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

বিনিয়োগ বাড়ছে স্বাস্থ্যসেবা খাতে

দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গত চার দশকে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বহুগুণ বেড়েছে। ইতিমধ্যে দেশে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল। এসব হাসপাতালে রয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও আধুনিক যন্ত্রপাতি। তবে এর বেশির ভাগই বেসরকারি উদ্যোগে হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরো বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে হেলথ ট্যুরিজমের সুযোগ। আরো উন্নত মানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ অনেক বিদেশি রোগী আসবে। ১৬ কোটি মানুষের বিশাল জনগোষ্ঠীর কারণে এ খাত থেকে ভালো আয়ের সুযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি দেশের দুটি হাসপাতালে বিনিয়োগ করেছে যুক্তরাজ্যের জেনারেল ইলেকট্রিকের স্বাস্থ্যবিষয়ক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জিই হেলথ কেয়ার। বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগ করে আসছে এ প্রতিষ্ঠানটি। জিই হেলথকেয়ার, ইউনাইটেড হাসপাতাল ও মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস বাংলাদেশে প্রথম দুটি মলিকুলার ইমেজিং সেন্টার চালু করেছে।
জিই হেলথকেয়ারের কারিগরি যন্ত্রপাতি দিয়ে সাজানো হয়েছে ইউনাইটেড হাসপাতাল ও মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস। এতে পিইটি বা সিটি ইমেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কেন্দ্রটি ক্যান্সার নির্ণয়ে ব্যবহৃত আইসোটোপ, ট্রেসার উৎপাদনের জন্য দেশের প্রথম মেডিক্যাল সাইকোলট্রন স্থাপন করছে। মেডিক্যাল সাইকোলট্রন স্থাপনের জন্য জিই হেলথকেয়ার ও ইউনাইটেড হাসপাতাল যৌথভাবে এ খাতে বিনিয়োগ করেছে ২৫ লাখ ইউএস ডলার। মলিকুলার ইমেজিং সেন্টার ও সাইকোলট্রন প্রযুক্তি স্থাপনের কারণে দ্রুত ক্যান্সার নির্ণয় ও নিরাময় প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে দাবি করছেন হাসপাতাল দুটির কর্মকর্তারা।
জিই হেলথ কেয়ারের প্রধান টম জেন্টলির কাছে বাংলাদেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা প্রযুুক্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা এবং এর সম্ভাবনার বিষয়ে তিনি খুবই আশাবাদী। ১৬ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগে যথেষ্ট আন্তরিক। পাশাপাশি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমেও এ খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী।
টম বলেন, ঢাকায় বেশ কিছু ক্ষেত্রেই বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও সেবা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা ইউনাইটেড হাসপাতালে আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে দেখা করেছি এবং তাদের প্রযুক্তি ও সেবাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছি। তাদের আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি বিশেষত সাইক্লোট্রন এবং পিইটি সিটি স্ক্যানার রয়েছে, যা ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের সাইক্লোট্রনের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। অন্যদিকে, মেডিনোভা হেলথ সার্ভিসেস তাদের রেডিও ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনাইটেড হসপিটাল থেকে সংগ্রহ করছে। তারা একটি পিইটি সিটি স্ক্যানার প্রতিষ্ঠায় বিনিয়োগও করেছে। উভয় প্রতিষ্ঠানে বিশ্বমানের প্রযুক্তি রয়েছে এবং আমরা তাদের অংশীদার হিসেবে গর্বিত।
জিইর সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট টেরি বেরেনহাম বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে যথেষ্ট বিনিয়োগের সুয়োগ রয়েছে। এখানে সরকারি-বেসরকারি সবাই বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে আসছে। এখানকার বাজার এত বড় যে বর্তমান বিনিয়োগ ধারা এখনো পর্যাপ্ত নয়। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক ক্যান্সার রোগী রয়েছে। কিন্তু তাদের পর্যাপ্ত চিকিৎসার সুযোগ নেই। সরকার ইতিমধ্যে পাবলিক-প্রাইভেট পাটনারশিপের ঘোষণা দিয়েছে। এ কারণে এই খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা এখনো বাংলাদেশে চিকিৎসাসেবা খাতে বিনিয়োগের সুযোগ দেখতে পাচ্ছি।
টেরী আরো বলেন, বাংলাদেশে হেলথ ট্যুরিজমেরও সুযোগ রয়েছে। এ খাতের উপযুক্ত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ অনেক বিদেশি রোগীকে আকর্ষণ করতে পারবে। যদিও বর্তমানে এ সুযোগ ও বাজার খুবই সীমিত।
ইউনাইটেড হসপিটালের পরিচালক ক্লিনিক্যাল অপারেশান ডা. দবির উদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, দেশে বিশ্বমানের বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে ওঠায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ রোগী এখন আর বিদেশ যেতে চান না। দেশের হাসপাতালগুলোয় রয়েছে বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসক। তাঁরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ইউনাইটেড হাসপাতাল সম্প্রতি স্থাপন করছে বিশ্বমানের ক্যান্সার কেয়ার সেন্টার, যা দেশি ও বিদেশি চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরিচালিত। এখানে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সহায়তায় প্রাথমিক অবস্থায় সঠিকভাবে ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়।
ডা. দবির আরো বলেন, হাজার হাজার বাংলাদেশি ক্যান্সার নির্ণয় এবং চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ভারত, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। বেশির ভাগ রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা গেছে ক্যান্সার নির্ণয়ে দেরি হয়ে যায়। ফলে শেষ মুহূর্তের চিকিৎসা কোনো কাজে লাগে না। এ ক্ষেত্রে খরচও খুব বেশি হয়। ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি রোগ নির্ণয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা এতদিন পর এখন বাংলাদেশে সম্ভব হচ্ছে।
মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেসের পরিচালক ডা. মো. মনোয়ারর হোসাইন বলেন, দেশে চিকিৎসাসেবা খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে। সম্প্রতি মেডিনোভা ক্যান্সার রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয়ের জন্য মেডিক্যাল সাইকোলট্রন যন্ত্র স্থাপনে যৌথভাবে বিনিয়োগ করেছে জিই হেলথ কেয়ারের সঙ্গে। তিনি আরো বলেন, দরিদ্র জীবনব্যবস্থা আর পরিবেশগত সমস্যার কারণে বাংলাদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত্র এবং মৃতের সংখ্যা রেকর্ড স্থাপন করেছে। বিভিন্ন রিপোর্টে দেখা গেছে, সারা দেশে ১০ লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত। দুই লাখ মানুষ প্রতিবছর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে মহিলাদের বেশি পরিমাণে ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা। প্রতিবছর প্রায় দেড় লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
সম্প্রতি দেশের যেসব বেসরকারি হাসপাতাল উন্নত চিকিৎসাসেবা দিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, তাদের মধ্যে রয়েছে এ্যাপোলো হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতাল, স্কয়ার হাসপাতাল, ল্যাব-এইড হাসপাতাল ও জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল। রাজধানী-কেন্দ্রিক এসব হাসপাতালের মতো বিভাগীয় শহরেও আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যসেবা খাত-সংশ্লিষ্টরা।

 

http://www.kalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=Internet&pub_no=867&cat_id=1&menu_id=90&news_type_id=1&index=0

 

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

Bangladesh wins offshore claim against Myanmar

NewImage


By Syed Tashfin Chowdhury 

DHAKA – Bangladesh has secured its claims to a full 200-nautical-mile exclusive economic zone in the Bay of Bengal, overcoming Myanmar’s claims to part of the territory by winning a landmark verdict in its favor from the United Nations International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS). 

In the first decision of its kind by any court or tribunal, the March 14, 151-page, verdict also came down in favor of Bangladesh regarding its claims to a substantial part of the outer continental shelf beyond 200 nautical miles. The finding, which is final, ends a long-running maritime dispute with neighbor Myanmar and allows energy-starved Bangladesh to press forward with exploration for offshore hydrocarbon deposits. 

“Through the verdict,” delivered in Hamburg of Germany, “we now

have an opportunity to explore more prospective zones than the ones which are nearer to Bangladesh’s coastline,” Hossain Mansur, chairman of state-owned energy company Petrobangla, told Asia Times Online. 

The finding represents an important achievement for Prime Minister Sheikh Hasina, who made resolving the dispute with Myanmar a priority after leaving prison in 2008 and before her election victory later that year. The tribunal’s verdict is particularly encouraging to Dhaka as it seeks ways to meet Bangladesh’s energy requirements without eroding its foreign exchange reserves. 

A key part of the tribunal’s finding gives Dhaka control over the entire 12-nautical-mile territorial sea around Saint Martin’s Island, which lies around 10 kilometers from both Bangladesh and Myanmar, which had earlier wanted it to be cut into half. South Korea’s Daewoo is extracting gas not far from the island off Myanmar’s Arakan coast, which is separated from Bangladesh’s Teknaf district by the Naf river as it flows to the sea. 

Once Petrobangla has a formal instruction from the Ministry of Foreign Affairs in Bangladesh along with a certified copy of the ITLOS verdict, it will be able to determine which exploration blocks fall within Bangladesh’s maritime territories, and then go forward with bidding for exploration licenses by energy companies, said Mansur. Both deep-water gas-blocks and several shallow-water areas are affected. 

As to the potential of the area, Mansur said, “We would be able to comment properly on that after we interpret the findings of the 2D seismic survey that ConocoPhillips is carrying out in the bay right now. We should have the report by April.” 

ConocoPhillips, the lone international oil company (IOC) at present involved in deep-water hydrocarbon exploration for Bangladesh in the Bay of Bengal, was awarded exploration rights over two deep-water gas blocks, DS-08-10 and DS-08-11, following a bidding round in February 2008. The ITLOS verdict will allow the company to explore those areas fully, after being limited until now by the border dispute. Bangladesh had offered 28 offshore blocks, 20 of them in deep water, but received a poor response from other IOCs due to the dispute with Myanmar and another with neighboring India. 

The Bay of Bengal has been perceived as a potential source for hydrocarbon ever since India discovered 100 trillion cubic feet of gas in 2005-06 and Myanmar discovered 7 trillion cubic feet of gas in the Bay. India has also discovered oil. 

In a Foreign Ministry press release on March 14, Bangladeshi Foreign Minister Dipu Moni said the ITLOS ruling, by a 21 to 1 vote, concludes a dispute that has “long delayed” exploration for hydrocarbon in the Bay of Bengal for “energy-starved Bangladesh”. 

The release mentioned that the case was “initiated by Bangladesh against Myanmar in December 2009”. The judgement read out by Jose Luis Jesus of Cape Verde, president of the tribunal, is “final and without appeal”. 

The release said, “Myanmar had claimed that its maritime boundary with Bangladesh cut directly across the Bangladesh coastline, severely truncating Bangladesh’s maritime jurisdiction to a narrow wedge of sea not extending beyond 130 nautical miles. Myanmar also claimed that the tribunal lacked jurisdiction to award continental shelf rights beyond 200 nautical miles from either State’s coast. The tribunal rejected both of these arguments.” 

In the release, Moni saluted Myanmar for it’s willingness to resolve matters legally. 

Even so, within Bangladesh there were some dissenting voices in the media, with popular newspaper Prothom Alo expressing concern on March 17 that the verdict may lead to Myanmar achieving some blocks that earlier belonged to Bangladesh. 

Bangladesh and Myanmar had both claimed 150,000 square kilometers of the Bay of Bengal since 1974, when the first talks for delineating the maritime boundary were initiated between the two nations. This came to a halt in 1986 and began again in November 2007. 

In October 2008, while visiting Dhaka, Myanmar Energy Minister Brigadier General Lun Thi had assured his Bangladeshi counterpart that Myanmar “would not conduct gas exploratory work in the disputed maritime boundary area until the issue was settled” between the two nations. 

However, on November 1, 2008, four drilling ships from Myanmar, escorted by two naval ships from the country, started exploration for hydrocarbon reserves south west of St Martin’s Island and within 50 nautical miles of Bangladesh. 

According to media reports, when three naval ships of Bangladesh went to challenge these, the Myanmar Navy alleged that the Bangladesh Navy ships were trespassing. This aggravated the dispute as Myanmar vowed to continue with the exploration despite the dispute with Bangladesh. 

The Bangladesh government told the Myanmar envoy in Dhaka that his country should suspend all activities within the declared maritime zones of Bangladesh according to the Territorial Waters and Maritime Zones Act 1974 of Bangladesh. 

In a March 15-report by Mizzima of Myanmar titled “Burma, Bangladesh maritime dispute ends”, it was recalled that on November 9, 2008, “Daewoo, [Norwegian drilling company] Transocean and the Burmese regime withdrew their vessels” after the “Korean and Chinese governments had intervened to de-escalate the situation”. 

China is set to be the destination of most of the gas Daewoo and its partners extract from off Myanmar’s Arakan coast. 

The ITLOS process began in December 2009 after the Bangladeshi government submitted a formal complaint against Myanmar regarding the “natural prolongation of the continental shelf and the baseline”. 

Bangladesh’s remaining maritime boundary dispute with India is expected to be settled in the UN’s Permanent Court of Arbitration based in The Hague, the Netherlands, in 2014. Bangladesh favors a principle based on “equity” while India, like Myanmar, favors an “equidistance” system to obtain bigger maritime areas. 

Newly appointed Indian High Commissioner to Bangladesh Pankaj Saran, while calling on Foreign Minister Moni in her office in Dhaka on March 17, said that India would favor a bilateral end to the sea dispute. 

source

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

Bangladesh Wins Maritime Dispute with Burma

NewImage
Posted Thursday, March 15th, 2012 at 7:15 am

Bangladesh says a U.N. tribunal has ruled in its favor in a long-running maritime border dispute with Burma.

Foreign Minister Dipu Moni says the International Tribunal for the Law of the Sea has awarded her country an exclusive economic zone measuring 685 square kilometers in the Bay of Bengal, as well as full access to the outer continental shelf. The court also awarded Bangladesh a 41-square-kilometer territorial sea area around the island of St. Martin’s.

She says the decision means Dhaka can pursue oil and gas exploration in the resource-rich area.

Bangladesh filed its case against Burma at the U.N. maritime tribunal in 2009.

source VOA

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

Bangladesh wins maritime boundary case with Burma

NewImage

 

Wednesday, 14 March 2012 15:56

Dhaka, Bangladesh: Bangladesh won a great victory in the maritime boundary case with Burma in the International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) as it delivered the judgment in Homburg today, according to ITLOS website and United News of Bangladesh (UNB).

NewImage

The court room of the International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) in Homburg,  Germany

The International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) had delivered its judgment over the dispute regarding delimitation of the maritime boundary between Bangladesh and Burma in the Bay of Bengal today in favor of Bangladesh at its main courtroom in Hamburg, Germany at 5:00pm.

“We’ve got more than what we wanted,” Foreign Minister Dipu Moni who is the representative or agent of Bangladesh for the case No.16.

She said, “It is not only a victory, but a tremendous victory.” 

Judge José Luis Jesus, who is presiding over the case at the Tribunal, began reading out the judgment at 5pm (BST) at its main courtroom in Hamburg, Germany according to broadcast live on the ITLOS website.

NewImage

H.E. Mr Tun Shin,the representative or agent of Burma in the court

The tribunal has 21 regular judges from various countries. Bangladesh and Burma have nominated one judge each, taking the total number of judges to 23. Thomas Mensah has been chosen by Bangladesh while Burma has chosen Bernard Oxman.

H.E. Mr Tun Shin, Attorney General, the representative or agent of Burma for the case of No. 16.

The text of the judgment was available shortly after its delivery on the tribunal’s website. The verdict was broadcast live on the ITLOS website and webcast of the judgment will be available in the archives as well.

The ITLOS is an independent judicial body, established by the United Nations Convention on the Law of the Sea. Its verdict is crucial not only for determining the country’s sea boundary, but also for ensuring legitimate right over sea resources, a senior official of the Ministry of Foreign Affairs (MoFA) said.

NewImage

Foreign Minister Dipu Moni, the representative or agent of Bangladesh for the case No.16

The tribunal will decide if Bangladesh would have to limit its access to 130 nautical mile sea area or it would have 200 nautical mile economic exploitation zone (EEZ) and continental shelf that extends up to 400-460 NM (850km) southwards from its coastline.

Continental shelf is the extended perimeter of each continent and associated coastal plain. The dispute with India over a similar issue would be settled by 2014.

The judgment of the tribunal is final and mandatory as there is no opportunity for any party to appeal.

The dispute over the maritime delimitation between the countries began when Bangladesh tried exploring gas reserves in the Bay. While Dhaka demands “equitable” method to settle the dispute, both India and Myanmar push for the “equidistance” principle.

Bangladesh’s interests could be hampered if the delimitation takes place based on equidistance principle, as it might end up forgoing its claim over 17 out of 28 sea blocks.

The verdict put an end to a protracted legal battle of more than two years.

The state-run Petrobangla has planned to offer at least two to three deep water gas-blocks in the forthcoming bidding round with the planned eight shallow water gas-blocks, if the country gets legitimate right over the deep water blocks following the verdict of the international tribunal, said a senior Petrobangla official.

Bangladesh has never explored hydrocarbon in the offshore deep water gas-blocks in the Bay of Bengal.

The Petrobangla in February 2008 offered a total of 28 offshore gas-blocks, of which eight were in shallow depth and 20 in deep water. But it received a lukewarm response due to negative propaganda over the maritime boundary by the neighboring India and Burma.

source

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »

Burma News International : Bangladesh wins maritime boundary dispute with Burma


 

 

 

Dhaka, Bangladesh: Bangladesh won a strategic victory in the maritime boundary case with Burma in the International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) as it delivered the judgment in Homburg today, according to the ITLOS website and United News of Bangladesh (UNB).

The ITLOS had delivered its judgment over the dispute regarding delimitation of the maritime boundary between Bangladesh and Burma in the Bay of Bengal on Wednesday in favor of Bangladesh, at its main courtroom in Hamburg, Germany at 5:00pm.

“We’ve got more than what we wanted,” according to Foreign Minister DipuMoni, who is the representative or agent of Bangladesh for the case. 
“It is not only a victory, but a tremendous victor,” she said.

Bangladesh wanted 107,000 square kilometres in the Bay of Bengal but got 111,000 square kilometres.The International Tribunal for Law of the Sea (ITLOS) in its verdict on March 14 recognised Bangladesh’s claims to a full 200-mile Exclusive Economic Zone (EEZ) in the Bay of Bengal, and to a substantial share of the Outer Continental Shelf (OCS) beyond 200 miles.
The Tribunal also awarded Bangladesh a full 12-mile territorial sea around St. Martin’s Island, overruling Burma’s argument that it should be cut in half.

The verdict, which the judges passed voting 21 to 1, concludes the case initiated by Bangladesh against Myanmar on October 8, 2009, to resolve a longstanding dispute over the maritime boundary. 
The text of the judgment was available shortly after its delivery on the tribunal’s website. The verdict was broadcast live on the ITLOS website and a webcast of the judgment will be available in the archives as well.

The ITLOS is an independent judicial body, established by the United Nations Convention on the Law of the Sea. Its verdict is crucial not only for determining the country’s sea boundary, but also for ensuring legitimate right over sea resources, a senior official of the Ministry of Foreign Affairs (MoFA) said.
The judgment of the tribunal is final and mandatory as there is no opportunity for any party to appeal.
The verdict put an end to a protracted legal battle of more than two years.

source

Friday, Apr 27th


এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান »